এইদিন ওয়েবডেস্ক,লখনউ,৩১ মার্চ : উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের মোহন লালগঞ্জ থেকে একটি চাঞ্চল্যকর লাভ জিহাদের ঘটনা সামনে এসেছে। মোনিস খান (Monis Khan)নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী এক হিন্দু কিশোরীকে তার প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার একটি অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে। এরপর অভিযুক্ত মনিস খান ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মেয়েটিকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে এবং ক্রমাগত তার কাছে টাকা দাবি করতে থাকে। পাশাপাশি কিশোরীটিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে প্ররোচিত করার জন্য মগজধোলাই ও চাপ দেয় । বদনামের ভয়ে মেয়েটি তার বাড়ির মাটির ভাঁড়ে জমানো পঞ্চাশ হাজার টাকা বের করে অভিযুক্তকে দিয়ে দেয়।
বাবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় সত্যটি প্রকাশ পায়
এদিকে বাড়ি থেকে মাটির ভাঁড়টি উধাও হয়ে যাওয়ার পর বাবার সন্দেহ হলে পুরো ঘটনাটি সামনে আসে। কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কিশোরীটি ভেঙে পড়ে এবং তার ওপর ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা খুলে বলে। ভুক্তভোগী জানায় যে, অভিযুক্ত মোনিস খান তাকে যোগাযোগ রাখার জন্য তিনটি ভিন্ন ভিন্ন কিপ্যাড মোবাইল ফোন দিয়েছিল এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাকে ক্রমাগত গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দিচ্ছিল।
পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিযুক্ত মোনিস খান একজন অভ্যাসগত অপরাধী। প্রায় তিন বছর আগে, একই গ্রামের আর এক ১৫ বছর বয়সী হিন্দু কিশোরীকে ধর্ষণ ও পনবন্দি করে রাখার দায়ে সে জেল খেটেছিল। ২০২৩ সালের মে মাসে তার বিরুদ্ধে এক হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে ।
ইন্সপেক্টর ব্রজেশ কুমার ত্রিপাঠি জানিয়েছেন যে, ভুক্তভোগীর বাবার করা অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত মোনিস খানকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এখন অভিযুক্তের অপরাধমূলক অতীত খতিয়ে দেখছে এবং ওই কিশোরীকে দেওয়া মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধারেরও চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।
