এইদিন ওয়েবডেস্ক,দেরাদুন,১০ এপ্রিল : একটি বড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে, উত্তরাখণ্ড স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিক্রান্ত কাশ্যপ নামে ২৯ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। বলা হচ্ছে, তিনি রাজ্যে সন্ত্রাসী সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান’ (টিটিএইচ)-কে ঘাঁটি তৈরির জন্য একটি ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
কয়েক সপ্তাহ ধরে নিবিড় নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্যের পর এই গ্রেপ্তারটি করা হয় । এসটিএফ-এর সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এসএসপি) অজয় সিং বলেছেন যে, পাকিস্তানি গোয়েন্দা এজেন্টরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উগ্রপন্থী যুবকদের নিয়োগ করছে বলে সূত্র পাওয়া যাচ্ছে।অজয় সিং একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘ইনস্টাগ্রাম এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো দুর্বল যুবকদের লক্ষ্যবস্তু করছিল । তারা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি হিসেবে কাজ করার জন্য তাদের স্লিপার সেল হিসেবে গড়ে তুলছিল ।’
প্রেমনগরের ঝাজরা এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত কাশ্যপ পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের প্রভাবে ছিল । সে প্রয়াত পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসওয়ালার ভক্ত ছিল এবং তাঁর হত্যাকাণ্ডে গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছিল ।এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা উস্কানিমূলক রিল ও পোস্ট শেয়ার করে। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে সরাসরি তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হয়। কাশ্যপকে পুলিশ সদর দপ্তর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনসহ দেরাদুনের স্পর্শকাতর স্থানগুলোর ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছিল।
অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে ‘গুজ্জর’ নামে এক ব্যক্তি অস্ত্র, বিস্ফোরক ও টাকার লোভ দেখিয়ে অপারেটরদের এই উচ্চ-নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোর ভিডিও রেকর্ড করতে চাপ দিয়েছিল। গ্রেপ্তারের সময় কাশ্যপের কাছ থেকে একটি ৩২ বোরের পিস্তল, সাতটি তাজা কার্তুজ, একটি স্প্রে পেইন্টের ক্যান এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত,ধৃত আগে পাঞ্জাবের নাভায় কাজ করত, তাকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।।
