উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুর জেলা থেকে একটি মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়া ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার গোটা পরিবারকে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে গভীর রাতে প্রেমিকের সাথে মিলিত হত । তার বাবা মেয়েকে তার ২২ বছর বয়সী প্রেমিকের সাথে হাতেনাতে ধরা পড়লে বিষয়টি প্রকাশ পায় ।
ছাত্রীর বাবা মুম্বাইয়ে রংমিস্ত্রির কাজ করেন, অন্যদিকে নাবালিকা তার মা এবং বৃদ্ধা ঠাকুমার সাথে গ্রামের বাড়িতে থাকত । প্রায় এক মাস আগে, বাবা মুম্বাই থেকে বাড়ি ফিরে আসেন। কিন্তু তার মেয়ের একটা আচরণে তার সন্দেহ হয়৷ আর সেটা হল যে তার মেয়ে প্রতিদিন রাতের খাবার খাওয়ার জন্য জোরাজুরি করত ।
একদিন, সন্দেহের বশে, বাবা নিজের খাবার লুকিয়ে ঘুমিয়ে থাকার ভান করে। রাত প্রায় ১১:৩০ নাগাদ, মেয়ে চুপচাপ বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রায় ২০০ মিটার দূরে বসবাসকারী ২২ বছর বয়সী এক প্রতিবেশী যুবকের বাড়িতে চলে যায়। বাবা তার পিছু নেয় এবং দু’জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। কিন্তু অভিযোগ, যুবকটি মেয়ের বাবাকে গালিগালাজ করে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরে, বাবা যখন বাড়ি ফিরে মেয়েকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তখন ছাত্রীটি জানায় যে সে গত এক বছর ধরে তার প্রেমিকের সাথে রাতে মিলিত হচ্ছিল । যুবক তাকে একটি মোবাইল ফোন এবং কিছু ঘুমের ওষুধ কিনে দিয়েছিল এবং তার সঙ্গে রাতে মিলিত হওয়ার পরিকল্পনা বাতলে দিয়েছিল । সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সে তার মা এবং ঠাকুমাকে রোগ রাতে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বেহুঁশ করে দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মিলিত হত ।
ঘটনাটি জানার পর, পরিবার স্থানীয় থানায় যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। যেহেতু মামলাটি একজন নাবালকের সাথে সম্পর্কিত, তাই সম্ভবত পকসো আইন এবং অন্যান্য ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।

