এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৪ এপ্রিল : দক্ষিণ ইরানে নিখোঁজ মার্কিন পাইলট মূলত একজন মার্কিন অস্ত্র কর্মকর্তা (Weapons Officer), যিনি বর্তমানে মাটিতে অবস্থান করছেন। প্রত্যন্ত ও বিপদসংকুল এলাকায় টিকে থাকা, শত্রুর নজর এড়ানো, প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং পালিয়ে আসার (SERE) বিশেষ প্রশিক্ষণ তার রয়েছে।
প্রতিটি যুদ্ধবিমান চালককেই এমন পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় টিকে থাকার সরঞ্জাম এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়। এক্ষেত্রে নির্ধারিত কার্যপ্রণালী বা প্রোটোকল হলো—নিরাপদে প্যারাসুটের সাহায্যে অবতরণ করা, নিরাপদ আড়াল খুঁজে নেওয়া, লুকিয়ে থাকা, মিত্র বাহিনীকে নিজের অবস্থান জানিয়ে দেওয়া এবং শত্রুর নজরে পড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা।
রাতের আঁধার মার্কিন দলগুলোর জন্য সুবিধাজনক হিসেবে কাজ করে; এ সময় HH-60 Pave Hawk হেলিকপ্টার এবং HC-130 বিমানগুলো তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে । এই অভিযানগুলোতে A-10 বিমান ও অন্যান্য যুদ্ধবিমানগুলো সহায়তা প্রদান করে, আর AWACS বিমানগুলো আকাশসীমার রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক তথ্য সরবরাহ করে থাকে।
ইরানের প্রত্যন্ত ও দুর্গম ভূপ্রকৃতি হয়তো ওই পাইলটকে কিছুটা সহায়তা করতে পারে, কিন্তু সময় এখন তার প্রতিকূলে। সীমিত খাবার ও জলের মজুদ, সম্ভাব্য শারীরিক আঘাত এবং ইরানি তল্লাশি দলগুলোর পক্ষ থেকে আসা অবিরাম চাপ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ কঠিন।
ঘটনাস্থলে বর্তমানে কোনো মার্কিন স্থলবাহিনী উপস্থিত নেই। তাই উদ্ধারের সমস্ত আশা এখন সেই হেলিকপ্টারগুলোর ওপরই ন্যস্ত, যাদের ইরানি ভূখণ্ডের গভীরে প্রবেশ করতে হবে—এমন এক ভূখণ্ড, যা অতি সম্প্রতি একটি F-15 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।।
