এইদিন ওয়েবডেস্ক,পারাদ্বীপ,০৪ মার্চ : মানবতাকে লজ্জিত করার মত ফের একটি ঘটনা সামনে এসেছে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে । যেখানে মাত্র ৭ বছর বয়সী এক আদিবাসী মেয়েকে তিন দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত হল ২৪ বছর বয়সী শেখ রাজা খান । সে পেশায় একজন কসাই। রবিবার (১ মার্চ) পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক জনরোষের জন্ম দিয়েছে।
পুলিশের মতে, নির্যাতিতা একটি বস্তিতে থাকে এবং অনাথের মতো জীবনযাপন করে । ২৬শে ফেব্রুয়ারী, অভিযুক্ত রাজা খান তাকে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে তার মাংসের দোকানের কেবিনে নিয়ে যায় । সেখানে ওই নরপশু মেয়েটিকে নেশাযুক্ত কোল্ড ড্রিঙ্ক পান করায়, যার ফলে শিশুকন্যা অজ্ঞান হয়ে পড়ে । অভিযুক্ত তাকে তিন দিন ধরে দোকানে আটকে রেখে বারবার নির্যাতন করে। যাতে মেয়েটি চিৎকার করতে না পারে সেই জন্য তাকে ক্রমাগত নেশাজাতীয় পদার্থ খাওয়ানো হত ।
কিন্তু শনিবার, মেয়েটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং তার বন্ধুকে ঘটনাটি জানায়। এই খবর জানাজানি হতেই স্থানীয় মহিলা এবং আদিবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা অভিযুক্তের দোকান ঘেরাও করে, তাকে টেনে বের করে একটি গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ আসার আগেই জনতা তাকে বেধড়ক মারধর করে। উল্লেখ্য,জগৎসিংহপুর জেলায় সম্প্রতি আর এক মহিলার হত্যা ও ধর্ষণের পর এই সাম্প্রতিক ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পুলিশ যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা (পকসো) আইন এবং অন্যান্য গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে এবং মেয়েটিকে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং-এর জন্য পাঠানো হয়েছে।।

