এইদিন ওয়েবডেস্ক,চট্টগ্রাম,২৩ অক্টোবর : দুর্গাপূজার মধ্যেই এক হিন্দু গৃহবধূকে খুনের ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে । চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রত্না দাস (৩০) নামে ওই বধূর বাড়িতে লুটপাট চালানোর পর তার হাত-পা বেঁধে পাশের পুকুরের জলে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা । নিখোঁজ থাকার চার দিন পর বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশের পুকুরে তার হাত-পা বাঁধা পচাগলা দেহটি ভেসে ওঠে । নিহত রত্না দাস ওই গ্রামের কুড়েরহাটির সুশীল দাসের স্ত্রী। তিনি সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মহল্লাল দাসের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান রত্না দাস। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে পরদিন রবিবার (১৮ অক্টোবর) নাসিরনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্বামী সুশীল দাস। কিন্তু তার কোনো সন্ধান করতে পারেনি পুলিশ । অবশেষে বুধবার বিকেলে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখেন। পরে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসে পরিবারের লোকজন দেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার পর দুর্বৃত্তরা দড়ি দিয়ে রত্না দাসের হাত-পা বেঁধে পুকুরে ফেলে তাঁকে হত্যা করেছে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন । তবে ঘটনার কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতের দেবর বলরাম দাস বলেন, তাঁর বৌদি ঘরে একা ঘুমাতেন। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা সবকিছু লুট করে নিয়ে তাঁকে হত্যা করেছে ।।

