এইদিন ওয়েবডেস্ক,বেঙ্গালুরু,১৪ আগস্ট : স্বাধীনতা দিবসে ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলন করতে অস্বীকার করেছেন কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী বি. জেড. জমির আহমেদ খান । বিজয়নগর জেলায় স্বাধীনতা দিবসে ত্রিবর্ণ পতাকা উত্তোলনের দায়িত্ব থেকে তাঁকে অব্যাহতি চেয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমারকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি লিখেছেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা আর অশোক।
মন্ত্রী জমির আহমেদ খান অনুরোধটির কারণ হিসাবে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন এবং দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর মনোযোগ দিতে হওয়ায় তাঁর হাতে সময় নেই। বিরোধী দলনেতা আর অশোক বলেছেন,’এটা কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকারের আসল রূপ এবং আমাদের মাতৃভূমির প্রতি তাদের চরম অসম্মানের দৃষ্টান্ত৷ এটি আমাদের সংবিধানের প্রতি একটি চরম অপমান এবং কোটি কোটি ভারতীয়ের প্রতি সরাসরি অপমান। একজন মন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পবিত্র কর্তব্যের চেয়ে দলীয় রাজনীতিকে কিভাবে বেশি অগ্রাধিকার দিতে পারে ?
তিনি বলেন,মন্ত্রী জামির এবং কর্ণাটক কংগ্রেসের কাছে জাতীয় গর্ব, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং পবিত্র ত্রিবর্ণের চেয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা, নির্বাচনী কৌশল এবং দলীয় আনুগত্য সর্বদা অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়।এই ধরনের ঔদ্ধত্য ও দেশবিরোধিতা কংগ্রেসের সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। যখন দলীয় নেতারা দেশের স্বাধীনতাকে সম্মান করার চেয়ে নির্বাচনী হিসাবনিকাশকে বেশি প্রাধান্য দেন, তখন তাদের প্রকৃত আনুগত্য কোথায় তা প্রকাশ হয়ে যায়। তিনি বলেন,যেসব মন্ত্রী জাতীয় পতাকাকে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেন, তাঁরা আর এক মুহূর্তের জন্যও সরকারি পদে থাকার নৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার হারিয়েছেন।
আর অশোক বলেন,রাজ্য ও জাতীয় পতাকার অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী ডি.কে. শিবকুমারের উচিত অবিলম্বে জমির আহমেদ খানকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা। অশোক দাবি করেছেন, ত্রিবর্ণ পতাকার চেয়ে দলীয় ক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগের জন্য রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের কর্ণাটকের জনগণ ও সমগ্র দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক নিন্দা
মন্ত্রী জমির আহমেদ খানের মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিটি ভাইরাল হয়েছে এবং বিরোধী দলের নেতানেত্রী ও সাধারণ মানুষের সমালোচনার মুখে পড়েছে।।
