এইদিন স্পোর্টস নিউজ,২২ মে : আইপিএল ২০২৬ টুর্নামেন্টের প্লে-অফ দৌড় থেকে ইতিমধ্যেই বাদ পড়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আবারও খবরের শিরোনামে এসেছে। রোহিত শর্মাকে পুনরায় সম্মান জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বর্তমান অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়াকে । অভিযোগ করা হচ্ছে যে তিনি “দলের পরিবেশ নষ্ট করে দিয়েছেন”। কিছু ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সমর্থকরা হার্দিক পান্ডিয়ার আচরণে ক্ষুব্ধ এবং তারা অবিলম্বে হার্দিককে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে রোহিত শর্মাকে অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করছেন।
তিনটি পূর্ণ আইপিএল মৌসুমের পর, অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার বদলে হার্দিক পান্ডিয়াকে আনার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স (এমআই)-এর সিদ্ধান্ত সফল হয়নি। হার্দিকের নেতৃত্বে এমআই আইপিএল ২০২৪-এ পয়েন্ট টেবিলের একেবারে শেষে ছিল এবং আইপিএল ২০২৬-এও তাদের শেষে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি বলেন, “রোহিত শর্মা দেখছেন তাঁর এমআই সাম্রাজ্যের পতন। তিনি দাবি করেছেন যে আগামী মরসুমে রোহিতকে আবারও অধিনায়কত্ব দেওয়া হোক।”
ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনোজ তিওয়ারি বলেন, “গত তিন বছরে রোহিত শর্মা তার সাম্রাজ্যের পতন দেখেছেন। মাঝে মাঝে ডাগআউটে তার অভিব্যক্তিতে তা ফুটে ওঠে। তিনি মনেপ্রাণে জানেন যে, অধিনায়ক হলে তিনি কিছু সিদ্ধান্ত নিতেন না।”
তিওয়ারি পরামর্শ দিয়েছেন,”আগামী মৌসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য অবশ্যই একজন নতুন অধিনায়ক থাকবেন। তিনি সূর্যকুমার যাদব বা জসপ্রিত বুমরাহ হতে পারেন। কিন্তু যেহেতু বুমরাহ একজন ফাস্ট বোলার,তার চোটের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সূর্যকুমার যাদবকেই বেছে নেওয়া উচিত ।” তিনি বলেন, “কিন্তু আমার মনের ইচ্ছা হলো, রোহিতকে আবার অধিনায়ক করা হোক। তাকে আবার সম্মান দেওয়া উচিত। সে ফিরলে, তার আবার একটি ভালো দল গড়ার সামর্থ্য আছে ।”
এদিকে, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মুরলী কার্তিকও রোহিতের অধিনায়কত্বকে সমর্থন করে বলেছেন যে, রোহিত, সূর্যকুমার এবং বুমরাহর মতো দলে ধরে রাখা খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে বহিরাগত হার্দিককে অধিনায়কত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলের পরিবেশ নষ্ট করেছে।কার্তিক বলেন,”দল কোন খেলোয়াড়দের ধরে রেখেছে? রোহিত শর্মা, জসপ্রিত বুমরাহ এবং সূর্যকুমার যাদব। তারাই দলের মূল খেলোয়াড়। কিন্তু হঠাৎ করে আপনি বাইরে থেকে কাউকে এনে তাকে অধিনায়ক বানিয়ে দিলেন। এটা স্বাভাবিক যে এতে দলের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, খেলোয়াড়রা যে হতবাক হবে, সেটাই স্বাভাবিক।”
