এইদিন বিনোদন ডেস্ক,০৯ এপ্রিল : একটি ওয়েব সিরিজ নিয়ে বর্তমানে ফের চর্চা শুরু হয়েছে । চলচ্চিত্রটির নাম ‘লোল্লা কটেজ‘। ছবিটি পর্নোগ্রাফিক হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ । এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীলা নাম্বিয়ার নামে এক অভিনেত্রী এবং পরিচালনা করেছেন মহম্মদ ইসলাম। চলচ্চিত্রটির অভিনেত্রী নীলা নাম্বিয়ার হলেন মহম্মদ ইসলামের ভাইঝি।
সঙ্গত কারনেই এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে নীলা নাম্বিয়ার হিন্দু এবং মহম্মদ ইসলাম মুসলিম… তাহলে তারা কীভাবে কাকা-ভাইঝি হয় ? আসলে,নীলা নাম্বিয়ার আসল নাম আসিয়া খাতুন এবং তিনি জন্মসূত্রে মুসলিম। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে তিনি তার নাম পরিবর্তন করেছেন কারণ তার পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্র পেশা ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। চলচ্চিত্রটির পোস্টারে তাকে সিঁথিতে প্রচুর পরিমাণে সিঁদুর পরা অবস্থায় দেখা যায়। আসিয়া খাতুন নাম্বিয়ার উপাধিটি বেছে নিয়েছেন কারণ এটি একটি হিন্দু ব্রাহ্মণের উপাধি । অনেকে বলছেন যে ব্রাহ্মণদের বদনাম করার জন্য এটাই তিনি এই কাজ করছেন ৷
অভিযোগ যে কেরালার পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্র শিল্প সম্পূর্ণরূপে কেরালার মুসলিমদের দ্বারা পরিচালিত, এবং মুসলিমদের মধ্যে হিন্দু ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। এর উদ্দেশ্য হলো হিন্দু নারীদের কামুক হিন্দু হিসেবে চিত্রিত করা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সুনাম নষ্ট করা । এটা শুধু একটা প্রতারণা নয়; এটা হিন্দু নারী ও সমাজকে বদনাম করার একটি সংগঠিত প্রচেষ্টা বলেও অভিযোগ উঠছে । তবে কেরালা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ হিন্দুদের এই বিষয়ে নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্যোতি পান্ডে নামে একজন লেখিকা ।
সাইবার এন্ড আইটি’ল আইনজীবী বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এক্স-এ লিখেছেন,’সনাতন ধর্ম শুধুমাত্র তার দুর্বলতার কারণেই কুখ্যাত। একে ক্রমাগত উপহাস করা হয়। একই ধারায়, আরেকটি চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে সনাতন ধর্মকে মানহানি করার অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমানে একটি চলচ্চিত্র আলোচনায় রয়েছে। এটি কোনো চলচ্চিত্র নয়, এটি একটি ওয়েব সিরিজ। সিরিজটির নাম “লোল্লা কটেজ”। চলচ্চিত্রটিকে পর্নোগ্রাফিক হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীলা নাম্বিয়ার এবং পরিচালক হলেন মহম্মদ ইসলাম। চলচ্চিত্রটির অভিনেত্রী, নীলা নাম্বিয়ার, মহম্মদ ইসলামের ভাইঝি। এখন আপনি হয়তো জিজ্ঞাসা করতে পারেন, এটা আবার কী? নীলা নাম্বিয়ার হিন্দু এবং মহম্মদ ইসলাম মুসলিম। তাহলে এই দুজন কীভাবে কাকা-ভাইঝি হলেন?’ তিনি লিখেছেন,’নীলা নাম্বিয়ার (আসল নাম আসিয়া খাতুন) জন্মসূত্রে মুসলিম। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি তার নাম পরিবর্তন করেছেন কারণ তার কাজ (মালয়ালম পর্ন শিল্পে) ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই, কোনো বাধা ছাড়াই তার কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি তার নাম পরিবর্তন করে একটি হিন্দু নাম রাখেন। চলচ্চিত্রটির পোস্টারে তাকে কপালে সিঁদুর পরা অবস্থায় দেখানো হয়েছে।’
তিনিও দাবি করেছেন,’কেরালার অশ্লীল চলচ্চিত্র শিল্প সম্পূর্ণরূপে জিহাদিদের দ্বারা পরিচালিত, এবং মুসলিমদের মধ্যে হিন্দু নাম গ্রহণ করার প্রবণতা বাড়ছে। এর উদ্দেশ্য হলো হিন্দু নারীদের পতিতা হিসেবে চিত্রিত করা এবং সম্প্রদায়ের সুনাম নষ্ট করা, আর একই সাথে নিজেদের সম্মান রক্ষা করা।এটি শুধু প্রতারণাই নয়, বরং হিন্দু নারী ও সমাজকে কলঙ্কিত করার একটি সংগঠিত প্রচেষ্টা। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো হিন্দুদের নীরবতা।’
উল্লেখ্য,নীল ছবি হিসাবে চিহ্নিত “লোল্লা কটেজ” (Lolla Cottage) ছবি নিয়ে গত বছর মার্চ মাসে আলোচনায় আসে । ছবিটির পরিচালক মহম্মদ ইসলাম (Mohammed Islam) । নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন আসিয়া খাতুন (Aasiya Khatoon) । তারা সম্পর্কে কাকা-ভাইঝি । কিন্তু আসিয়া এই ছবিতে নিজের নাম ব্যবহার না করে নীলা নাম্বিয়ার (Neela Nambiar)নাম রাখেন । তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ হচ্ছিল । নতুন করে এই ঘটনাকে ফের প্রচারে আনা হচ্ছে ।।
