এইদিন ওয়েবডেস্ক,উত্তরপ্রদেশ,২৩ মার্চ : বাড়িতে রয়েছে দুই স্ত্রী এবং ১৮ টি সন্তান । তারপরেও এক হিন্দু বিবাহিতা মহিলার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রতাপগড়(Pratapgarh) জেলার প্রাক্তন গ্রামপ্রধান গুল হাসান ওরফে মুস্তাকা গুলশান ওরফে মুন্না(৫০) । মহিলাকে সহবাস করার জন্য গুল হাসান ব্লাকমেলিং করছিল বলে অভিযোগ । তার জেরে খুন হতে হল ওই ব্যক্তিকে । আজ সোমবার প্রেমিকা সুমন গৌতমের (Suman Gautam) বাপের বাড়ি জেঠওয়াড়া বাগিয়াপুরের (Jethwara Bagiyapur) অদূরে একটি খালের মধ্য থেকে গুল হাসানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।
জানা গেছে, মৃত গুল হাসানের দুই স্ত্রী । দুই স্ত্রীর গর্ভে তাঁর মোট ১৮ জন সন্তান রয়েছে । পরিবারের সকল সদস্য একসঙ্গেই বসবাস করে । পাশাপাশি জেঠওয়াড়া বাগিয়াপুরের মেয়ে সুমন গৌতমের সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল । সুমনের বিয়ে হয়ে গেলে তাদের মধ্যে দুরত্ব তৈরি হয় । কিন্তু গুল হাসান তার দুই স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও প্রেমিকাকেও ছাড়তে রাজি ছিল না । প্রেমিকাকে ফের শারীরিক সম্পর্ক গড়তে সে চাপ দিচ্ছিল এবং ব্ল্যাকমেল শুরু করেছিল বলে অভিযোগ । যেকারণে গুল হাসানকে চিরতরে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে ষড়যন্ত্র করে প্রেমিকা সুমন ।
সাংবাদিক সিরাজ নুরানি জানিয়েছেন, পূর্ব- পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গতকাল বাপের বাড়ি জেঠওয়াড়া বাগিয়াপুরে চলে আসে প্রেমিকা সুমন গৌতম । সেই রাতে, তিনি প্রাক্তন গ্রামপ্রধান গুল হাসানকে ফোন করে তার সাথে দেখা করতে বলেন । আর কামনায় আতুর গুল হাসান প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে তার সাথে দেখা করতে যান । কিন্তু আগে থেকেই সেখানে অপেক্ষা করছিলেন মহিলাটির ভাই অতুল গৌতম এবং তার বন্ধু অরুণ গৌতম । গুল হাসান পৌঁছানো মাত্রই তিনজন মিলে তাকে লোহার রড দিয়ে আক্রমণ করে এবং পিটিয়ে মেরে ফেলে । হত্যার পর অভিযুক্তরা লাশটি একটি বস্তায় ভরে খালের পাড়ে ফেলে দেয়। পরে পুলিশ বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় । পুলিশ তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে ।।
Writer : Eidin Desk.
