এইদিন ওয়েবডেস্ক,ভাতার(পূর্ব বর্ধমান),১৭ ফেব্রুয়ারী : “ভাতার ফর্ম” জমার দেওয়ার সময় চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার বিডিও অফিসে । বিডিও অফিসের মূল কোলাপ্সেবেল গেটের সামবে “যুবসাথী”-এর ফর্ম জমা করতে আসা যুবকদের মধ্যে এতটাই হুড়োহুড়ি পড়ে যে ভয়ে মহিলারা নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন । এছাড়া,খেতমজুরদের অনুদানের জন্য আসা বৃদ্ধ কৃষকদেরও মহিলাদের মত একই অবস্থা দেখা গেল ।
২০২৬ সালের ভোটের আবহে রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি “যুবসাথী” প্রকল্পে ১৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন । সেই সাথে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আরও ৫০০ টাকা ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন । একই সঙ্গে খেতমজুরদের জন্য অনুদান কথাও রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছেন তিনি । ফলে যুবক-যুবতী, বিভিন্ন বয়সে মহিলা ও বৃদ্ধ- বৃদ্ধারা ভাতার জন্য দলে দলে ছুটছেন রাজ্যের বিডিও অফিসগুলিতে ।
জানা গেছে,ভাতার বিডিও অফিসে ওইসমস্ত প্রকল্পে ফর্ম জমা করতে এক এক অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট দিন ধার্য করা হয়েছে । আজ মঙ্গলবার ছিল ভাতারের নিত্যানন্দপুর অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার দিন । কিন্তু বিডিও অফিসে ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য পৃথক পৃথক ব্যবস্থা না থাকায় চুড়ান্ত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের । এনিয়ে ভাতার প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে । বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্টার করে কেন সুশৃঙ্খলভাবে ফর্ম জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়নি ? এই প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ ।।

