এইদিন ওয়েবডেস্ক,কর্ণাটক,১৩ ফেব্রুয়ারী : কর্ণাটকের তুমকুর তালুকের অনুপানাহল্লিতে একজন জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করে এক মেয়ে তার নিজের মাকে খুন করেছে। মৃতার নাম পুষ্পলতা (৫৫) । ঘাতক মেয়ের নাম সুচিত্রা (৩৫) । হত্যাকাণ্ডের কারন প্রসঙ্গে যেটা জানা যাচ্ছে যে সুচিত্রার বাবা বছর দেড়েক আগে মারা যান । বাবার মৃত্যুর পর তার একটি বাড়ি এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৪০ লক্ষ টাকার আইনত মালিক হন মা পুষ্পলতা । আর ওই বাড়ি ও জমানো টাকার জন্য বেঘোরে প্রাণ দিতে হল ওই প্রৌঢ়াকে ।
জানা গেছে,সুচিত্রা বিবাহিতা । স্বামীর সাথে তুমকুর শহরের শ্রীনগরে থাকতেন ৷ একজন জ্যোতিষী সুচিত্রাকে বলেছিলেন যে তিনি সন্দেহ করেন যে বাড়ি ও জমানো টাকার জন্য তার মা পুষ্পবতীই তার বাবাকে মেরে ফেলেছে । জ্যোতিষী বলেছিল যে তার মা তার বাবার মৃত্যুতে “মারন মন্ত্র” প্রয়োগ করেছিলেন । অনলাইনে জ্যোতিষীর সাথে যোগাযোগ করা সুচিত্রা জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করেছিলেন । আর তারপরেই মা’কে পৃথিবী থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে সুচিত্রা ।
জানা গেছে,দিন কয়েক আগে পুষ্পবতীকে ঘরের ভেতরে ঘুমচ্ছিলেন । সেই সময় চুপিসারে ঘরে ঢোকে সুচিত্রা। তারপর একটা বালিশ ঘুমন্ত মায়ের মুখে চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে । তার মা মারা যাওয়ার পর, তার মেয়ে সুচিত্রা মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে চিত্রিত করে শেষকৃত্য করার চেষ্টা করেছিল ।
তবে, মৃতদেহের অবস্থা এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে গ্রামবাসীরা সন্দেহ করেছিল যে এটি কোনও স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং একটি হত্যাকাণ্ড। এখন জানা গেছে যে এটি কোনও স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, বরং একটি হত্যাকাণ্ড, এবং এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত কিথাসান্দ্রা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সুচিত্রা এবং তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।।

