• Blog
  • Home
  • Privacy Policy
Eidin-Bengali News Portal
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
Eidin-Bengali News Portal
No Result
View All Result

টিএমসি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের “প্রেমালাপের ভুয়ো চ্যাট” শেয়ার করার অভিযোগ ; অমিত মালব্য বললেন : “সাংসদ ও প্রেমিকের মধ্যে চ্যাট ভুয়া না আসল তা কে নির্ধারণ করবে ? অবশ্যই কৃষ্ণনগর পুলিশ নয়” 

Eidin by Eidin
February 11, 2026
in কলকাতা, রাজ্যের খবর
টিএমসি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের “প্রেমালাপের ভুয়ো চ্যাট” শেয়ার করার অভিযোগ ; অমিত মালব্য বললেন : “সাংসদ ও প্রেমিকের মধ্যে চ্যাট ভুয়া না আসল তা কে নির্ধারণ করবে ? অবশ্যই কৃষ্ণনগর পুলিশ নয়” 
4
SHARES
51
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১১ ফেব্রুয়ারী : নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেছেন যে উত্তরপ্রদেশের নয়ডার বাসিন্দা এক ব্যক্তি নাকি তার মানহানিকর একটি “ভুয়ো চ্যাট” সোশ্যাল মিডিয়া শেয়ার করেছিল । তিনি এনিয়ে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে নয়ডার পুলিশ কোন সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে । কৃষ্ণনগর পুলিশের দাবি যে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ওই চ্যাটটি ফরেন্সিক টেস্টে ভুয়ো প্রমাণিত হয়েছে । অন্যদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি ইনচার্জ অমিত মালব্য কৃষ্ণনগর পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘টিএমসির একজন সাংসদ ও প্রেমিকের মধ্যে চ্যাট ভুয়া না আসল তা কে নির্ধারণ করবে ? অবশ্যই কৃষ্ণনগর পুলিশ নয় ।’

আজ বুধবার অমিত মালব্য এক্স-এ লিখেছেন,’আজ সকালে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সাংবাদিক সুরজিৎ দাশগুপ্তের নয়ডার বাসভবনে অঘোষিতভাবে অভিযান চালায়। উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট: তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সাংসদ এবং তার প্রেমিকের মধ্যে চ্যাট শেয়ার করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা। সুবিধাজনকভাবে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে চ্যাটগুলি “ভুয়া” ছিল। তারা তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তবে একটি মৌলিক প্রশ্ন ওঠে – এই চ্যাটগুলি ভুয়া না আসল তা কে নির্ধারণ করবে? অবশ্যই কৃষ্ণনগর পুলিশ নয়।

তাছাড়া, যদি দুজন ব্যক্তির মধ্যে ব্যক্তিগত চ্যাট জনসাধারণের কাছে পৌঁছে যায়, তাহলে যুক্তি অনুসারে, ফাঁসের উৎস কেবল সংশ্লিষ্ট দুটি পক্ষের একজন হতে পারে, প্রেরক অথবা গ্রহণকারী। তাহলে কেন রাজ্য পুলিশ ব্যবস্থাকে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে যারা জনসাধারণের কাছে ইতিমধ্যেই প্রচারিত তথ্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে? কেন এমন ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে যারা আসলে কেবল অন্যরা যা আলোচনা করছে তা ভাগ করে নিচ্ছে? কৃষ্ণনগরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টকে মনে রাখতে হবে যে তার কর্তব্য পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সেবা করা, একজন ভুল সাংসদের লোভ এবং সংবেদনশীলতার কাছে নতি স্বীকার করা নয়।’

তিনি আরও লিখেছেন,’ বর্তমান পরিস্থিতির মূল বিষয়ে আলোচনা করা যাক ।  ভারতের সংবিধান দ্ব্যর্থহীন: দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি নাগরিককে নির্দোষ বলে ধরে নেওয়া হয়। তবুও, এই ক্ষেত্রে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং যথাযথ প্রক্রিয়াকে উদ্বেগজনকভাবে উপেক্ষা করেছে বলে মনে হচ্ছে।

সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের অপরাধের জন্য, আইনে হাজিরার জন্য বাধ্যতামূলক নোটিশ বাধ্যতামূলক। এই স্পষ্ট আইনি অবস্থান সত্ত্বেও, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, সুরজিৎ দাশগুপ্ত তাদের এখতিয়ারের বাইরে থাকেন তা সম্পূর্ণরূপে অবগত, ভ্রমণের ব্যবস্থা করার জন্য এমনকি প্রাথমিক সময়ও না দিয়ে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে হাজিরার জন্য একটি নোটিশ জারি করে। এর পরেই দ্রুত পরোয়ানা পাওয়ার জন্য একটি তাড়াহুড়ো পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যা আরও গুরুতর অপরাধে স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত একটি “বিদ্যুৎগতি” প্রদর্শন করে।’ তিনি লিখেছেন,’যদি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ধর্ষণ এবং নারীর বিরুদ্ধে অপরাধের তদন্তে একই তৎপরতা দেখাত, তাহলে আজ বাংলার মেয়েরা অনেক বেশি নিরাপদ থাকত। দুঃখের বিষয়, এই দক্ষতা রাজনৈতিক স্নায়ু স্পর্শকারী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জড়িত মামলাগুলির জন্য সংরক্ষিত বলে মনে হয়।

এই পর্বটি ফৌজদারি কার্যবিধির সম্পূর্ণ উপহাস, যা এখন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে। এটি বিচার বিভাগীয় পদক্ষেপের তীব্র বিদ্রূপ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের ক্রমাগত পতনকে প্রতিফলিত করে যেখানে ভিন্নমত এবং ক্ষমতাবানদের লজ্জাকে অপরাধমূলক করা হয়। এই ঘটনায় উত্থাপিত বৃহত্তর প্রশ্নগুলিও একইভাবে বিরক্তিকর। একটি আঞ্চলিক দলের একজন সাংসদ কীভাবে পুলিশ ব্যবস্থার উপর এত অসাধারণ প্রভাব বিস্তার করেন? এখানে কি আরও কিছু আছে যা চোখে পড়ে না? এবং তৃণমূল কংগ্রেস যখন দল, সরকার এবং পুলিশের মধ্যে সীমারেখা ক্রমশ ঝাপসা করে দিচ্ছে, তখন একজনকে জিজ্ঞাসা করতে হবে: দলের আসল উত্তরাধিকারী কে – অভিষেক ব্যানার্জি নাকি মহুয়া মৈত্র?’ অমিত মালব্য লিখেছেন,’এই প্রশ্নগুলি গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের মূলে আঘাত করে। তারা উত্তর দাবি করে, ভয় দেখানো, পদ্ধতিগত অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার নয়।’

This morning, the West Bengal Police landed unannounced at the Noida residence of journalist Surajit Dasgupta. The purpose was clear: to arrest him for allegedly sharing chats between a Trinamool Congress MP and her paramour. The contention, conveniently advanced, is that the…

— Amit Malviya (@amitmalviya) February 10, 2026

জানা গেছে,তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের একটা চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের নয়ডার এক যুবক৷ গত ২৭শে ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহুয়া মৈত্র । অভিযোগে বলা হয় নয়ডার বাসিন্দা সুরজিৎ দাশগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় তার একটা ভুয়া চ্যাট প্রকাশ করেছে । যে চ্যাটে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে তার কথোপকথন রয়েছে । 

যদিও কৃষ্ণনগর জেলা পুলিশ জানিয়েছে যে ওই চ্যাট ডিজিটাল ফরেন্সিক বিভাগে খতিয়ে দেখার জন্য দেওয়া হলে জানা যায় যে সেটি ভুয়ো৷ এরপরেই অভিযুক্ত সুরজিৎ দাশগুপ্তর বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করা হয়। তাকে ৯ ফেব্রুয়ারি থানায় হাজিরা নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল । কিন্তু অভিযুক্ত থানায় হাজিরা দেয়নি । এমনকি তিনি পুলিশের সঙ্গে কোনো যোগাযোগও করেননি । এরপরে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় । 

পুলিশ সূত্রে খবর,সেই গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে সোমবার থানার কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা পুলিশের ৪ সদস্যের একটি দল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য নয়ডায় যায় । কৃষ্ণনগর পুলিশের অভিযোগ যে নয়ডার পুলিশ তাদের সঙ্গে কোন সহযোগিতা করেনি । উল্টে অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে বলে অভিযোগ । কোতোয়ালি থানার পুলিশের অভিযোগ,মঙ্গলবার সকালে নয়ডার ফেজ-টু থানার ১১০ নম্বর চৈকির পুলিশ কৃষ্ণনগরের পুলিশ সদস্যের দলকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয় এবং অভিযোগ থেকে পালাতে সাহায্য করে । এমনকি আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ওই দলটিকে থানার মধ্যে প্রায় দেড় ঘন্টা বসিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ । অভিযোগ যে কোতোয়ালির পুলিশ  টিমের সদস্যরা যখন অভিযুক্তের বাড়ি লোটাস টাওয়ার-এর কাছে পৌঁছান, তখন নয়ডা পুলিশের ১০-১২ জন কর্মী তাঁদের টেনে নিয়ে থানায় নিয়ে আসেন। প্রায় ৩ ঘণ্টা তাদের পুলিশ কর্মীদের আটকে রাখে। এ নিয়ে কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস গতকাল সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, ‘ওখানকার পুলিশ কোতোয়ালি থানার  পুলিশদের সাহায্য না করে আটক করে। তারা অভিযুক্ত সুরজিৎ সেনগুপ্তকে পালাতে সাহায্য করে।’ তিনি বলেন,  ‘আমরা এ নিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি।  প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’। 

Previous Post

গাজোলে তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক বিজেপি যোগদান  

Next Post

“ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে” 

Next Post
“ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে” 

"ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে" 

No Result
View All Result

Recent Posts

  • “ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে” 
  • টিএমসি সাংসদ মহুয়া মৈত্রের “প্রেমালাপের ভুয়ো চ্যাট” শেয়ার করার অভিযোগ ; অমিত মালব্য বললেন : “সাংসদ ও প্রেমিকের মধ্যে চ্যাট ভুয়া না আসল তা কে নির্ধারণ করবে ? অবশ্যই কৃষ্ণনগর পুলিশ নয়” 
  • গাজোলে তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক বিজেপি যোগদান  
  • “আল্লাহু আকবর” শ্লোগান দিয়ে ২ ব্রিটিশ কিশোরের উপর ছুরি হামলা চালালো ১৩ বছরের কিশোর 
  • আয়ুষ্য সূক্তম্ : দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য, এবং প্রাণশক্তি বৃদ্ধির জন্য কৃষ্ণ যজুর্বেদের একটি শক্তিশালী বৈদিক স্তোত্র
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.