এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,০৪ ফেব্রুয়ারী : দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকা থেকে এক ভয়াবহ ঘটনা সামনে এসেছে। ৪০ বছর বয়স্ক এক ব্যক্তি তার নিজের ১৪ বছরের মেয়েকে বারবার ধর্ষণ করেছে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সাহস করে ভুক্তভোগী তার ১৩ বছরের বোনকে ঘটনার কথা জানায় । নির্যাতিতার বোন ঘটনার কথা বাড়ির মালককে বলে । বাড়ির মালিকের কাছ থেকে ফোনে বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ । মামলার গুরুত্ব অনুধাবন করে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয় এবং অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করে। নাবালিকা মেয়ের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং পুলিশ আরও তদন্তে নিয়োজিত রয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশের মতে, মেয়েটি তদন্তকারী এবং কাউন্সেলরদের জানিয়েছে যে গত ১০-১৫ দিনে তাকে চার-পাঁচবার ধর্ষণ করা হয়েছে।
মেয়েটির বাবা, মূলত বিহারের দারভাঙ্গার বাসিন্দা । শনিবার মধ্য দিল্লির পাহাড়গঞ্জে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকত । ভুক্তভোগী জানিয়েছে যে তার মা ১৫ দিন আগে বিহারে তার গ্রামে গিয়েছিলেন। তার মা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই তার বাবার স্বভাব বদলে যায় এবং তার উপর পাশবিকতা শুরু করে। গত ১০-১৫ দিনে তাকে চার থেকে পাঁচবার ধর্ষণ করে তার বাবা । শনিবার রাতে (৩১ জানুয়ারী), যখন সে তার ছোট বোনের সাথে ঘুমাচ্ছিল, তখন অভিযুক্ত বাবা তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। যখন সে বাধা দেয়, তখন তাকে হুমকি দেওয়া হয়। মেয়েটি তার ছোট বোনের নিরাপত্তার জন্য প্রচণ্ড ভয় পেয়েছিল।
ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (কেন্দ্রীয়) অনন্ত মিত্তল বলেছেন,মেয়েটি তার বাবা-মা এবং ১৩ বছর বয়সী বোনের সাথে ভাড়া বাড়িতে থাকে। মেয়েটি জানিয়েছে যে বাবা নিয়মিত দুই বোন এবং তাদের মাকে মারধর করতেন। তিনবার তিনি ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করেছিলেন, যার মধ্যে শনিবারও ছিল ।ভুক্তভোগী তার ছোট বোনকে সবকিছু খুলে বলে । যে পরে একই আবাসিক ভবনে বসবাসকারী বাড়ির মালিককে বিষয়টি জানান। ভুক্তভোগী হয়তো মাকে বলেছিল কিন্তু সে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। মাকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ।
শনিবার রাতে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এক মহিলার ফোনে ধর্ষণের কথা জানানোর পর বিষয়টি প্রকাশ পায় । সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার এক মহিলার কাছ থেকে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন আসে, যিনি এই নির্যাতনের কথা জানান।পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইন এবং অন্যান্য গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে এবং তাকে জেলে পাঠিয়েছে।।

