এইদিন স্পোর্টস নিউজ,২৩ জানুয়ারী : ভারত বিদ্বেষী মানসিকতা দেখাতে গিয়ে নিজেদের পায়েই কুড়ুল মেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড । ভারতে এসে টি-২ বিশ্বকাপ খেলবে না জানিয়ে বাংলাদেশ বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে । আজ শুক্রবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসি-কে ফের চিঠি লিখলেও ভারতে না দেখাল দাবিতে তারা অনড় । আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠক ও নানা নাটকীয়তার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার স্থির সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। যদিও বিসিবি বলছে তারা এখনো লড়াই চালিয়ে যাবে। তবে বিশ্বকাপ শুরুর যেখানে দুই সপ্তাহ বাকি, সেখানে কোনো অদলবদল আনা কার্যত সম্ভব নয় জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশ যদি সত্যই টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় তাহলে তাদের ঠিক কি পরিমান অর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে, তার মোটামুটি একটা চিত্র তুলে ধরেছে সেদেশের সংবাদপত্র সময়ের কন্ঠস্বর । আজ তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হল :
ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের আয়ের একটা বড় উৎস আইসিসির এই বৈশ্বিক ইভেন্টগুলো, তাই এই আয়োজনে অংশ না নেওয়ার কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- তার ক্রিকেটার ও সংশ্লিষ্টরা একটা আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়বে।তবে সেরা ১২ দলের মধ্যে থাকতে পারলে কোনো দল পাবে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশি টাকা, যা ডলারের হিসেবে চার লাখ ৫০ হাজার ডলার।
বাংলাদেশ যদি আনুষ্ঠানিকভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে এর বড় আর্থিক প্রভাব পড়বে খেলোয়াড়দের ওপর। ম্যাচ ফি, পারফরম্যান্স বোনাস এবং প্রাইজমানির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন তারা। ফলে ব্যক্তিগত আয়েও বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
এক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও। আইসিসির কাছ থেকে তিন লাখ থেকে পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার অংশগ্রহণ ফি পাওয়ার কথা, সেটি আর পাওয়া যাবে না। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অঙ্ক প্রায় চার থেকে ছয় কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের বোর্ডের জন্য একটি বড় ক্ষতি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম লাভজনক টুর্নামেন্ট। এই আসরে অংশ না নিতে পারলে খেলোয়াড় ও বোর্ড উভয়ের জন্যই আর্থিক প্রভাব হবে উল্লেখযোগ্য।বাংলাদেশ না খেললে সম্প্রচার ও স্পন্সরশিপ আয়েও প্রভাব পড়তে পারে।
ভারতীয় উপমহাদেশে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সাধারণত ভালো টেলিভিশন দর্শক টানে। এসব ম্যাচ না হলে টিআরপি কমার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিজ্ঞাপনদাতা ও স্পন্সরদের আগ্রহও কমে যেতে পারে।
প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকাররা ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের ম্যাচ কম হলে টুর্নামেন্টের সামগ্রিক বাণিজ্যিক মূল্যও কমে যাবে
এছাড়া ম্যাচ প্রতি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সর্বনিম্ন আড়াই লাখ টাকা আয় করেন একটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে।২০২৪ সালের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাইজমানির অঙ্ক ছিল টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নবম আসরের এই বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের নয়টি ভেন্যুতে ২৮ দিনে মোট ২০টি দল অংশ নিয়েছিল, যা তখন পর্যন্ত এটিকে সবচেয়ে বড় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পরিণত করেছিল।
এই আসরে রানার্সআপ দল পেয়েছিল অন্তত ১২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল পেয়েছিল সাত লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ ডলার করে। যারা দ্বিতীয় রাউন্ডের গণ্ডি পেরোতে পারেনি, তাদের প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছিল তিন লাখ ৮২ হাজার ৫০০ ডলার।নবম থেকে দ্বাদশ স্থানে থাকা দলগুলো পেয়েছিল দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার করে। আর ত্রয়োদশ থেকে বিংশ অবস্থানে থাকা প্রতিটি দল পেয়েছিল দুই লাখ ২৫ হাজার ডলার।
এর পাশাপাশি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল বাদে প্রতিটি ম্যাচ জয়ের জন্য দলগুলো অতিরিক্ত ৩১ হাজার ১৫৪ ডলার করে অর্জন করেছিল।
আইসিসির ক্ষতি কেমন?
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, বাংলাদেশকে ছাড়া বিশ্বকাপের মতো আয়োজন আসলে আইসিসির জন্যও ক্ষতি, এর ফলে প্রায় ২০ কোটি দর্শক হারাবে এই টুর্নামেন্ট।তবে এসব ইভেন্টের প্রচার স্বত্ব আগেই বিক্রি হয়ে যায়, তাই আইসিসির যতটা না ক্ষতি হবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে সম্প্রচারক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের।
আবার ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে দুই দেশের মধ্যে ট্যুরিস্ট ভিসা সার্ভিস বন্ধ রয়েছে।সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শুধু খেলা দেখতে ভারতে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।
বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ ছিল কলকাতায়, একটি মুম্বাইয়ে।
তবে মোস্তাফিজুর রহমানকে ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর বিবেচনায়’ কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়ার বাংলাদেশ সরকার উদ্বেগ জানিয়েছে এবং বলেছে যে যেখানে বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নেই, সেখানে বাকি ক্রিকেটার, সাংবাদিক ও দর্শকদের নিরাপত্তা কীভাবে দেবে?
ভারতে না যাওয়ার অবস্থানে অনড়, শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের দাবি
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়ে দিয়েছে, ভারতে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বরং আইসিসির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের দাবি মেনে নিতে আইসিসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট- বাংলাদেশ দল ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না।তার ভাষায়, ‘আমরা আইসিসি থেকে সুবিচার পাইনি। আমরা আশা করবো, আইসিসি আমাদের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলার আবেদন মেনে নেবে।’তিনি বলেন, মাথা নত করে দেশের মানুষদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়ার পরিণতি কী হতে পারে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। ক্রিকেটারদের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন বলেও জানান।
নিরাপত্তা আশঙ্কার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, এই উদ্বেগ কোনো কল্পনার বিষয় নয়, এটি একটি বাস্তব ঘটনা থেকে তৈরি হয়েছে।‘আমাদের দেশের একজন সেরা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি। সেখানে ক্রিকেটার, সাংবাদিক ও দর্শকদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে- এ প্রশ্ন থেকেই যায়,’ বলেন তিনি।
অন্যদিকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে তারা গর্ববোধ করলেও আইসিসির ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।।বিশ্ব ক্রিকেটে জনপ্রিয়তা যখন কমছে, তখন প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা হতাশাজনক,’ বলেন তিনি।তবে হাল ছাড়ছেন না জানিয়ে বুলবুল বলেন, ‘আমরা আবারও আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করবো।’ একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘আমরা ভারতে খেলতে চাই না, শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই।’
বাংলাদেশের এই অবস্থানের ফলে আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেশটির অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হলো। যদিও বুধবার বোর্ড সভায় ভোট শেষে আইসিসি জানায়, বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে। বাংলাদেশ না যেতে চাইলে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়তে পারে এবং সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিবর্তে অন্য একটি দল নেওয়া হতে পারে।আইসিসি বলেছে, টুর্নামেন্ট শুরুর এত কাছাকাছি সময়ে সূচি পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়।
একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘আমরা ভারতে খেলতে চাই না, শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই।’
আইসিসি বলেছে, টুর্নামেন্ট শুরুর এত কাছাকাছি সময়ে সূচি পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়।পাশাপাশি, বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ছাড়া ম্যাচ স্থানান্তর করলে তা ভবিষ্যতের আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোর জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে এবং বৈশ্বিক সংস্থা হিসেবে আইসিসির নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়।
সংস্থাটি জানায়, এই সংকট সমাধানে বিসিবির সঙ্গে তারা ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করেছে। এ সময় টুর্নামেন্টের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা, কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার তথ্যও শেয়ার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,ভেন্যু ও সূচি নির্ধারণ করা হয় নিরপেক্ষ নিরাপত্তা মূল্যায়ন, আয়োজক দেশের নিশ্চয়তা এবং টুর্নামেন্টের নির্ধারিত শর্তের ভিত্তিতে, যা ২০টি অংশগ্রহণকারী দেশের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। নিরাপত্তা ঝুঁকির স্পষ্ট প্রমাণ না থাকায় ম্যাচ স্থানান্তর করা সম্ভব নয়’ বলেও জানায় আইসিসি।
গত ৩ জানুয়ারি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) আসন্ন আইপিএল ২০২৬ আসরের দল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল টিটুয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সকে মোস্তাফিজুরকে বাদ দিলে বলার সুনির্দিষ্ট কারণ জানায়নি তখন। তবে বোর্ডের সচিব দেবজিত সাইকিয়া ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানান, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশে কয়েকজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নিহত হওয়ার ঘটনা সামনে আসা এবং এ নিয়ে ভারতে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে ওই সিদ্ধান্ত আসে। ‘সর্বত্র চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে তাদের দলে থাকা বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে’ বলেছিলেন দেবজিত সাইকিয়া। ওই দিনই এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আসিফ নজরুল তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, ‘বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলাগুলো শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত করার অনুরোধ জানানোর নির্দেশনা আমি দিয়েছি।’
তিনি ওই স্ট্যাটাসের শেষ লাইনে লিখেছেন ‘গোলামির দিন শেষ।’
তবে বিশ্লেষকরা বলছিলেন, মোস্তাফিজুর ইস্যুতে দুই দেশের নেওয়া পদক্ষেপেই ক্রিকেটীয় কূটনীতিকে প্রাধান্য না দিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এর পরের ঘটনাপ্রবাহে আইসিসির কাছে বিসিবির আবেদন করা ছাড়াও ইমেইলে যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল সভাও হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে।আইসিসি সদস্যদের মধ্যে ভোটের পর আইসিসি মোটামুটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বিশ্বকাপে অংশ নিতে হলে বাংলাদেশ টিমকে ভারতে গিয়েই খেলতে হবে। তবে বাংলাদেশ তার অবস্থান জানানোর পর এবার আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর পালা।
এর আগে অন্য দলের ক্ষেত্রে কী করেছে আইসিসি
এর আগে ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে খেলতে শ্রীলঙ্কায় যায়নি অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত এবং পাকিস্তানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কাও ঐ টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক ছিল। কিন্তু কলকাতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানিয়ে দেয়, নিরাপত্তার ভয়ে তারা শ্রীলঙ্কায় দল পাঠাবে না।অন্যদিকে ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে জিম্বাবুয়েতে খেলতে যায়নি ইংল্যান্ড আর কেনিয়ায় যায়নি নিউজিল্যান্ড।ওই সব ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ওয়াকওভার বা জয়ের পয়েন্ট দিয়েছিল আইসিসি।সবক্ষেত্রেই অনুপস্থিত দলের প্রতিপক্ষ ম্যাচে ওয়াকওভার বা পয়েন্ট পেয়েছে।আর ২০০৯ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ে সরে যাওয়ায় স্কটল্যান্ডকে সেবার টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করেছিল আইসিসি,এমনটাই লিখেছে ও সংবাদপত্রটি ।।

