এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১৫ জানুয়ারী : কয়লা পাচার মামলায় গত ৮ জানুয়ারি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। কিন্তু সেখানে নজিরবিহীন ভাবে হাজির হয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি । তার সাথে ছিলেন।রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার,কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মাসহ রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু কর্তা । ইডির হেফাজত থেকে মমতা ব্যানার্জি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেন ড্রাইভ ও ফাইল ‘লুট’ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ । এই ঘটনায় ইডি,তৃণমূল, প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয় কলকাতা হাইকোর্টে । তার মধ্যে গতকালই কলকাতা হাইকোর্ট ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের মামলা খারিজ করে দেয় । আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে পুলিশের দায়ের করা এফআইআরগুলির ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে ।
এবার আইপ্যাক-কাণ্ডে (I-PAC Case) রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার,কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার বর্মাসহ রাজ্য পুলিশের বেশ কিছু কর্তার সাসপেনশন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছে ইডি । এমনকি এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হস্তক্ষেপেরও দাবি জানানো হয়েছে । পরপর দু’দিন হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর এখন যদি ইডির দাবি মেনে আদালত বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজীব কুমার ও মনোজ কুমার বর্মাদের মত শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের সাসপেনশনের পথে হাঁটে তাহলে বিধানসভার ভোটের আগে মমতা ব্যানার্জির জন্য একটা মারাত্মক আঘাত হবে বলে মনে করা হচ্ছে ।।

