পারমিতা দত্ত,কালনা(পূর্ব বর্ধমান),০৩ জানুয়ারী : স্কুলে যাওয়া ছাত্রীদের ইভটিজিং করছিল এক যুবক । থাকতে না পেরে স্থানীয় এক যুবক প্রতিবাদ করেছিলেন । আর সেই অপরাধে প্রতিবাদীর উপর কুড়ুল নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে । বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন প্রতিবাদী যুবকের প্রৌঢ় কাকাও । ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার সকালে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহিষমর্দিনী গার্লস ইনস্টিটিউশন স্কুলের সামনে । আক্রান্ত সুরোজ কুমার সাহা ও তার কাকা পিন্টু সাহা বর্তমানে কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের দু’জনেরই মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে ৷ খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে আহতদের বয়ান নথিভুক্ত করে কালনা থানার পুলিশ । এদিকে হামলার পরেই চম্পট দিয়েছে অভিযুক্ত বাপি রায় ওরফে দস্যু নামে অভিযুক্ত যুবক ।
জানা গেছে,আজ সকালে মহিষমর্দিনী গার্লস ইনস্টিটিউশন স্কুলের ছাত্রীরা যখন স্কুলে যাচ্ছিল সেই সময় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বাপি রায় মেয়েদের কটুক্তি করছিল বলে অভিযোগ । তার এই প্রকার ঘৃণ্য আচরণের প্রতিবাদ করেন সুরোজ কুমার সাহা । তিনি বলেন,’আমি থাকতে না পেরে বাপিকে মেয়েদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে নিষেধ করি । তাকে আমাদের পাড়ায় আসতে নিষেধ করি৷ এতে বাপির ইগোয় লাগে । তবে সে তখনকার মত সেখান থেকে চলে যায় । কিন্তু আমরা যখন স্কুল মোড়ের একটি দোকানে রাখা বেঞ্চিতে বসেছিলাম তখন বাপি একটা কুড়ুল দিয়ে আমার মাথায় সজোরে আঘাত করে । পাশেই ছিলেন আমার কাকা । তিনি আমাকে বাঁচাতে এলে তাকেও কুড়ুল দিয়ে কোপায় বাপি ।’
জানা গেছে,এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা কাকা- ভাইপোকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে । এদিকে লোকজন জড়ো হতে দেখেই চম্পট দেয় হামলাকারী যুবক। আহত সুরোজের অভিযোগ,পার্শ্ববর্তী এলাকা মল্লিকবাগানের বাসিন্দা বাপি রায়ের দ্বারা দীর্ঘ দিন ধরেই স্কুলের মেয়েরা ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছিল । মেয়েরা স্কুলে গিয়ে ঘটনার কথা জানালে শিক্ষিকারা বাপিকে না পেয়ে আমাদের কাছে এসে বলত । এর একটা স্থায়ী বিহিত হওয়া উচিত ।’ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের সন্ধান চালানো হচ্ছে ।।

