ঋগ্বেদের ‘অগ্নি সূক্ত’ বলতে মূলত প্রথম মণ্ডল-এর প্রথম সূক্তকে বোঝায়, যার মন্ত্রটি হলো “অগ্নিমীল্যে পুরোহিতং যজ্ঞস্য দেবমৃৎভিজম্। হোতারং রত্নধাতমম্॥”। এই সূক্তটি ঋগ্বেদের প্রথম এবং এটি অগ্নি দেবতাকে উৎসর্গ করা হয়েছে, যিনি যজ্ঞের পুরোহিত এবং দেবতাদের কাছে আহুতি বহনকারী হিসেবে পূজিত হন। এই সূক্তের রচয়িতা হলেন মেধাতিথি ।
এই সূক্তের প্রথম মন্ত্রটি সরাসরি অগ্নিকে উদ্দেশ্য করে স্তুতিমূলক, যেখানে বলা হয়েছে “আমরা অগ্নিকে স্তুতি করি”। এখানে অগ্নিকে ‘পুরোহিত’ (যিনি যজ্ঞের প্রধান পুরোহিত), ‘যজ্ঞের দেবতা’ (যজ্ঞের দেবতা), ‘ঋৎভিজ’ (ঋৎভিজ), ‘হোতা’ (যিনি আহুতি দেন) এবং ‘রত্নধাতম’ (রত্ন বা ফল প্রদানকারী) হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অগ্নি কীভাবে যজ্ঞের মাধ্যমে দেবতাদের কাছে আহুতি পৌঁছে দেন, তা এই সূক্তে বলা হয়েছে। অগ্নিকে ‘যম’, ‘মাতারিসভান’ ইত্যাদি নামেও অভিহিত করা হয়।
(ঋ.বে.1.1.1)
অগ্নিমীলে পুরোহিতং-যজ্ঞস্য দেবমৃত্বিজম্ ।
হোতারং রত্নধাতমম্ ॥ ১।।
অগ্নিঃ পূর্বেভির্ঋষিভিরীড্যো নূতনৈরুত ।
স দেবাণ্ এহ বক্ষতি ॥ ২।।
অগ্নিনা রয়িমশ্নবত্পোষমেব দিবেদিবে ।
যশসং-বীঁরবত্তমম্ ॥ ৩।।
অগ্নে যং-য়ঁজ্ঞমধ্বরং-বিঁশ্বতঃ পরিভূরসি ।
স ইদ্দেবেষু গচ্ছতি ॥ ৪।।
অগ্নির্হোতা কবিক্রতুঃ সত্যশ্চিত্রশ্রবস্তমঃ ।
দেবো দেবেভিরা গমত্ ॥ ৫।।
যদঙ্গ দাশুষে ত্বমগ্নে ভদ্রং করিষ্যসি ।
তবেত্তত্সত্যমংগিরঃ ॥ ৬।।
উপ ত্বাগ্নে দিবেদিবে দোষাবস্তর্ধিয়া বয়ম্ ।
নমো ভরংত এমসি ॥ ৭।।
রাজংতমধ্বরাণাং গো॒পামৃতস্য দীদিবিম্ ।
বর্ধমানং স্বে দমে ॥ ৮।।
স নঃ পিতেব সূনবেঽগ্নে সূপায়নো ভব ।
সচস্বা নঃ স্বস্তয়ে ॥ ৯।।

